পৃষ্ঠাসমূহ

জল-জোছনার কাব্য

জল-জোছনার কাব্য

শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০১৫

বিভ্রম

আমার গল্প বলা শেষ
তোর মায়া চোখে দেখি জলের বিভ্রম
পড়ি পড়ি করছে এক ফোটা নোনা কষ্ট
আমি করতল পেতে দিলাম। তোর কষ্ট টুকু আমার হোক
কতোটুকু কষ্ট জমে এক ফোঁটা চোখের জল হয়, আমি জানতে চাই
জানতে চাই আমার দুঃখে কেন তোর চোখ কাঁদে 

আমার মন খারাপের গল্প শুনে কেন তোর মন পোড়ে
জানতে চাই, ঝরাপাতা উড়ে যায় কোন অভিমানে
দূর আকাশে শাদা মেঘ উড়ে যায়, যায় কোন খানে 
তুই আমার কাছে ছুঁটে আসিস বল কিসের টানে?

রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৫

কস্টের সলতেটা উস্কে দিলাম

কস্টের সলতেটা উস্কে দিলাম
ঘি ঢেলে দিলাম বিরহের অনলে
পুড়ুক ব্যর্থ হৃদয় উড়ুক ছাই
জানি আমি আর তোমাতে নাই
এখন তোমার চিবুক ছোঁয় অন্য কেউ
হৃদয়ের সরোবরে নতুন ঢেউ
তাই আমার সকল অভিমান আর
ভালোবাসা আজ ফিরিয়ে নিলাম//

 

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৫

দৃষ্টির বৃষ্টি

তুমি চলার পথে আমার চোখে দৃষ্টি কেন থামাও
হঠাৎ রোদ দুপুরে আমার ভিতর বৃষ্টি কেন নামাও
তোমার দৃষ্টি যখন বৃষ্টি হয়ে ভিজায় আমার মন
তখন ইচ্ছে করে তোমার পাশে দাঁড়াই কিছুক্ষণ//

শরতের দু্ষ্টু বাতাস


আমি সারারাত শুধু তোমাকে ভেবেছি
তোমাকেই করেছি পাঠ
অতপর আমাকে ভিজিয়ে দিয়ে গেল
শেষ রাতের বৃষ্টির ছাঁট


নির্ঘুম রাতে জেগে তারাদের সাথে
দিগন্তে দেখেছি ভোরের আভাস
আমাকে গোপনে এসে ছুঁয়ে দিয়েছিল
শরতের দু্ষ্টু বাতাস//

দীর্ঘশ্বাস


ঝুম বৃষ্টির পরে তোমার হঠাৎ চলে যাওয়া
আমার জন্য রেখে গেলে বৃষ্টি ভেজা হিমেল হাওয়া
চোখের তারায় নাই’বা রইলাম
তোমার মনের ভিতর করবো বাস
তোমার জন্য রেখে যাবো এক জনমের দীর্ঘশ্বাস//

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৫

প্রত্যাশা

অতঃপর মন খারাপের কাব্য থেমে যাক
মুছে যাক কষ্টের দাগ আর বিবর্ণ বিষাদ
উবে যাক জল-অভিমান

বরং
দখিনের বারান্দায় একটু সময় থামুক
ধূমায়িত চায়ের কাপে কিছু উষ্ণতা জমুক
প্রসন্ন সকালে হোক একটি রোদেলা কবিতা//

বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৫

কষ্ট


তুমি যখন কষ্ট পাঠাও মন খারাপের খামে
ভর দুপুরেও বুকের ভিতর নির্জনতা নামে
তোমার কষ্ট রক্ত ঝরায় এই বুকের গভীরে
একা করে দেয় যেন হাজার লোকের ভিড়ে
//