স্নানের ঘরে জলের শব্দ কে করে গো স্নান
জলের সঙ্গে গড়িয়ে যায় কার যে অভিমান
বুকের ভিতর কে পুষে গো দুঃখের হিমাচল
অঙ্গ ধোয়া জলের সঙ্গে মিশায় চোখের জল
স্নানের ঘরে জলের শব্দ কে করে গো স্নান
নোনা জলে কে লিখে হায় কষ্টের উপখ্যান?//
স্নানের ঘরে জলের শব্দ কে করে গো স্নান
জলের সঙ্গে গড়িয়ে যায় কার যে অভিমান
বুকের ভিতর কে পুষে গো দুঃখের হিমাচল
অঙ্গ ধোয়া জলের সঙ্গে মিশায় চোখের জল
স্নানের ঘরে জলের শব্দ কে করে গো স্নান
নোনা জলে কে লিখে হায় কষ্টের উপখ্যান?//
সকালের রোদ গায়ে শুয়েছিলাম, আহা কি সুখ
’সুপ্রভাত’ বললো এসে এক রমণীয় মুখ
বাসি মুখে তার হাসি মুখ দেখে হলেম পাগলপরা
স্বর্গ থেকে নেমে এলো বুঝি এক অপূর্ব অপ্সরা
আমি স্বপ্নের মাঝে তাকে দেখে হয়ে গেলাম ফিদা
একটু ছুঁয়ে দেখবো কিনা করছিলাম দ্বিধা
হঠাৎ কনুইর এক গুঁতো এসে লাগলো পাঁজরে
চোখ মেলে রোজ দেখা মুখখানি দেখি আজও রে
বললেন তিনি, বেলা হয়েছে বাজারে কি যাবে না
দেরি করে বাজারে গেলে ভালো কিছুতো পাবে না
সহসা বাজারে যাওয়ার জন্য করি শয্যা ত্যাগ
হায় কোন শালা বানিয়েছে এই বাজারের ব্যাগ?
চাঁদ আর আসেনি আমার ঘরে
আসেনি ভোরের বাতাস
দেখিনি খোলা আকাশ
বিছানা ভিজেনি বৃষ্টির ছাঁটে
রোদ এসে ঘুমায়নি আর খাটে
তুমি যাবার পর
বন্ধই আছে শূন্য ঘর
ফুলদানিতে শুকিয়ে গেছে ফুল
এলোমেলো হয়ে আছে নষ্ট চুল
কেউ এসে নাড়েনিতো কড়া
অলক্ষ্যে ঘরে ঢুকে পড়েনিতো ধরা
তোমার প্রস্থান
আমার মৌন অভিমান
শুধু হৃদয় ভেঙ্গে হলো খান খান//