পৃষ্ঠাসমূহ

জল-জোছনার কাব্য

জল-জোছনার কাব্য

বৃহস্পতিবার, ২৬ জুলাই, ২০১২

মন আকাশে কেন উড়ো হয়ে গাঙ চিল

আবার এসে তুমি কি আমায়
ভালবাসতে পারো
তবে অকারণে স্মৃতির দরজায়
কেন কড়া নাড়ো
কেন কষ্ট নদীর শান্ত জলে
মারো তুমি ঢিল
মন আকাশে কেন উড়ো
হয়ে গাঙ চিল
সকাল বিকাল অযথা কেন
বিরক্ত তুমি করো
দোহাই লাগে তুমি আমার
রাস্তা থেকে সরো//

তোমার ভালোবাসার বৃষ্টিতে নিজেকে ভিজিয়ে রাখি

তোমার কথা ভাবলে আমার
জলে ভরে আঁখি
তাই তোমার ভালোবাসার বৃষ্টিতে
নিজেকে ভিজিয়ে রাখি
আমি সারা দিন সারাবেলা
তোমার অপেক্ষায় থাকি
প্রহরগুলো দীর্ঘ হয় তুমি দাও ফাঁকি
তবুও তোমার ভালোবাসার বৃষ্টিতে
                                          নিজেকে ভিজিয়ে রাখি//

বৃষ্টিরে তুই নিপাত যা বৃষ্টিরে তুই দূরে গিয়ে মর



আজ বৃষ্টি কেড়ে নিল আমার সুবর্ণ বিকেলটুকু
যে বিকেলটা আমি তোমাকে দিতে চেয়েছিলাম
হতচ্ছাড়া বৃষ্টি নষ্ট করে দিল একটি রোমান্টিক সম্ভাবনা
দিলনা আমাকে একটু ভালোবাসার অবসর
বৃষ্টিরে তুই নিপাত যা বৃষ্টিরে তুই দূরে গিয়ে মর//

এসো ঐ চাঁদের নিচে দাঁড়াই

সুন্দরী এই রাত
নীল জোছনার ধারাপাত
এসো ঐ চাঁদের নিচে দাঁড়াই
এসো দুজনে পথ হারাই
কিছু কথা হয়ে যাক
কিছু সময় বয়ে যাক
এসো দুজনে কিছু স্বপ্ন কুড়াই//

তুমি শরতের মেঘ হয়ে ফিরে আসো




তুমি শরতের মেঘ হয়ে ফিরে আসো
অথবা হও বৈশাখের প্রলয়ঙ্করী ঝড়
আমি তোমার ছায়ায় একটু জুড়াই
অথবা তচনছ হয়ে যাই তোমার আঘাতে//

পৃথিবী বসে আছে তার পায়ের কাছে

সে বসে আছে তার সব অহংকার
অভিমান আর ভালোবাসা নিয়ে
উদাস চোখে তার স্বপ্ন খেলা করে
মায়াবী দুটি ঠোঁট কার কথা বলে
কার লাগি হাসে সে কার লাগি কাঁদে
কার লাগি উতলা হয়ে পথ চেয়ে থাকে
সে যে বসে আছে গরবিনী বেশে
পৃথিবী বসে আছে তার পায়ের কাছে//

শুধু চোখে চোখে কথা হোক


সব কথা থেমে যাক
শুধু চোখে চোখে কথা হোক
তোমাকে দেখতে দেখতে
এই চোখ দুটি ব্যথা হোক//