পৃষ্ঠাসমূহ

জল-জোছনার কাব্য

জল-জোছনার কাব্য

শনিবার, ৩১ মার্চ, ২০১২

কেমন আছ বিষণ্নময়ী


কেমন আছ বিষণ্নময়ী
এখনো কি তোমার চোখে বিষাদঘন মেঘ
বুকের ভেতর পাথর চাপা অশান্ত-উদ্বেগ
এখনো কি হৃদয় জুড়ে নীল কষ্টের ঢেউ
ভালোবাসি এই কথাটি বলেনি আজো কেউ
এখনো কি মনটা তোমার দুঃখবতী নদী
শ্রাবণ মেঘের আঁধার ঘনায় দিগন্ত অবধি
এখনো কি দেখনি তুমি সর্ষে রঙা ভোর
তোমার জন্য খুলেনি কেউ ভালোবাসার দোর
ভালো থেকো স্বস্তিতে থেকো ওগো বিষণ্ণময়ী
এই বসন্তে হয়তো তুমি হবেই হবে জয়ী/

শুক্রবার, ৩০ মার্চ, ২০১২

বলে দাও সব কথা



কথাতো বলার জন্যই
বলে দাও সব কথা
কথার চেয়ে অসহ্য
তোমার নীরবতা
সব কথা শেষ হলে
হৃদয় কথা বলবে
হৃদয় যখন বলবে কথা
হাজার তারা জ্বলবে
হাজার তারার ঝলকানিতে
জগৎ হবে আলো
একবার শুধু বল তুমি
আমায় বাস ভালো//

ভালোবাসা চুরি করি

সব শুরুর শেষ থাকে
আমি না হয় শেষ থেকে শুরু করি
তোমার মনের সিন্দুক থেকে
কিছু ভালোবাসা চুরি করি
অতঃপর তোমাকে সাজাই
দুটি হৃদয়ে উষ্ণতা গড়ে
মিলনের সানাই বাজাই//

বুকের খামে স্বপ্ন জমা থাকুক

বুকের খামে স্বপ্ন জমা থাকুক
চোখের কোনে আশা ছবি আঁকুক
চুলের প্রান্তে বাতাস বয়ে যাক
তোমার যতো কষ্টগুলো
আমার হয়ে যাক
তোমার হাতে জড়িয়ে থাকুক
আমার দুটি হাত
আকাশ থেকে নীল জোছনার
হোক ধারাপাত//

ভালোবাসা এসে যদি ফিরে যায়

প্রহর গুনছে রাতের তারা
ডানা ঝাপটায় পাখি
কখন হবে রাতের সঙ্গে
চাঁদের মাখামাখি
রাতদুপুরে দরজা খুলে
আমিও অপেক্ষায়
ভালোবাসা এসে যদি
আবার ফিরে যায়//

রঙ পেনসিল

অনেক দিন আগে
ভালোবাসার রঙ পেনসিল দিয়ে
তোমার হৃদয়ে একটি দাগ কেটে ছিলাম।
এখন দেখি দাগটি নেই,
তুমি কখন ইরেজারে ঘষে ঘষে
দাগটি মুছে ফেলছ
হায় আমিও যদি স্মৃতির পাতা থেকে
তোমার মুখটি এভাবে মুছে ফেলে
নতুন কোন ছবি আঁকতে পারতাম//


কিছু বিষাদ বুকের ভিতর বুনে নকশীকাঁথা

কিছু দুঃখ মেঘ হয়
কিছু কষ্ট হয় ঝরা পাতা
কিছু বিষাদ বুকের ভিতর
বুনে নকশীকাঁথা
কিছু বেদনা অশ্রু হয়
কিছু ব্যথা হয় দীর্ঘশ্বাস
কিছু যন্ত্রণা শুধু গুমড়ে মরে
বুকের পাঁজরে বসবাস
কিছু কথা স্মৃতি হয়
কিছু ব্যথা শুধু পোড়ায়
কিছু কষ্ট কবিতা হয়ে
ডায়রির পাতা ভরায়//